আজ ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ৮ই ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

২৬ এপ্রিল থেকে দোকানপাট খুলতে পারে!

কডাউনের কারণে টানা একসপ্তাহ ধরে বন্ধ দেশের দোকানপাট ও বিপনিবিতান। নতুন করে আরও এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণায় হতাশ ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় আগামী সোমবার (২৬ এপ্রিল) থেকে দেশের সব দোকানপাট ও বিপণিবিতান খুলে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর তিনি বলেন, আম’রা আশা করছি প্রধানমন্ত্রী আগামী সোমবার থেকে দেশের দোকানপাট ও বিপণিবিতান খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। তিনি দাবি করেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার ব্যক্তিগতভাবে কথা হয়েছে।

হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘আম’রা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি তিনি যেন আগামী সোমবার সারাদেশের দোকান ও বিপণিবিতান খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। আমাদের বিশ্বা’স প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবি ফেলবেন না। এর আগেও আমাদের কোনও দাবি তিনি ফেলেননি।’

হেলাল উদ্দিন আরও বলেন, ‘সোমবার থেকে দোকান ও বিপণিবিতান খুলে দেওয়া হলে আম’রা শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা করবো।’

যদিও ফের সাত দিনের সার্বিক কার্যাবলি ও চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে ২২ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত পরবর্তী লকডাউনে কঠোর বিধিনিষেধ মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে।

এর আগে অবশ্য বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি আগামী বৃহস্পতিবার ২২ এপ্রিল থেকে দোকানপাট ও বিপণিবিতান খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু সরকার তাদের দাবির প্রতি সম’র্থন জানায়নি।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির নেতারা বলেছেন, ৫৩ লাখের বেশি দোকানদার ও প্রায় ২ কোটি ১৪ লাখ শ্রমিক-কর্মচারীর জীবন ও জীবিকার স্বার্থে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া প্রয়োজন।

এর আগে রাজধানীর নিউমা’র্কেট ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে গত রবিবার (১৮ এপ্রিল) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দোকানপাট ও বিপণিবিতান খুলে দেওয়ার দাবি জানায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে সরকারের কঠোর লকডাউন আম’রা ক্ষুদ্র পুঁজির ব্যবসায়ীরা মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু সামনে ঈদ। এই ঈদে যদি আম’রা ব্যবসা করতে না পারি, তাহলে সব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পথে বসে যাবে।

তিনি উল্লেখ করেন, লকডাউনে তৈরি পোশাকসহ সব শিল্পকারখানা চালুর রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে, ব্যাংক, বিমা ও শেয়ার বাজার খুলে দেওয়া হয়েছে। সড়কে চলাচলের জন্য লাখ লাখ মুভমেন্ট পাস ইস্যু করা হয়েছে। এ কারণে আমাদের দাবি, আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে দোকানপাট যেন খুলে দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর..

ফেসবুকে আমরা

Facebook Pagelike Widget